"প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ"-এর বিভিন্ন সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রাজশাহী কলেজ উইকি থেকে
("প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ বা প্রথম শহীদ মিনার ঢাকায় মাতৃ..." দিয়ে পাতা তৈরি)
 
 
(একই ব্যবহারকারী দ্বারা সম্পাদিত একটি মধ্যবর্তী সংশোধন দেখানো হচ্ছে না)
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ বা প্রথম শহীদ মিনার ঢাকায় মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের স্মৃতি রক্ষার জন্য নির্মিত প্রথম স্মৃতি স্তম্ভ।১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজশাহী কলেজ মুসলিম হোস্টেলের এফ ব্লকের সামনে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভটি ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশ প্রশাসন দ্বারা ভেঙে ফেলা হয়।
+
[[চিত্র:First Shaheed Minar 1952.jpg|200px|thumb|right|প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ]]
 +
'''প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ''' বা '''প্রথম শহীদ মিনার''' ঢাকায় মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের স্মৃতি রক্ষার জন্য নির্মিত প্রথম স্মৃতি স্তম্ভ।১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজশাহী কলেজ মুসলিম হোস্টেলের এফ ব্লকের সামনে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভটি ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশ প্রশাসন দ্বারা ভেঙে ফেলা হয়।
  
পরিচ্ছেদসমূহ 
+
==ইতিহাস==
১ ইতিহাস
 
২ পুনঃনির্মান
 
৩ চিত্রশালা
 
৪ আরও দেখুন
 
৫ তথ্যসূত্র
 
ইতিহাস
 
 
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজশাহী কলেজের মুসলিম হোস্টেলের একটি কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভা থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে শহীদদের স্মরণে হোস্টেল প্রাঙ্গণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হবে। বৈঠকে রাজশাহী মেডিক্যাল স্কুলের এস.এম.এ গাফ্ফারকে সভাপতি এবং রাজশাহী কলেজের হাবিবুর রহমান ও গোলাম আরিফ টিপুকে যুগ্ম-সম্পাদক করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।পরিষদের সিদ্ধান্তে ওই রাতেই ছাত্ররা রাজশাহী কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গনে ইট, কাঁদামাটি ও বাঁশ দিয়ে ‘শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ তৈরী করে। রাজশাহী কলেজ হোস্টেলের জনাদশেকের সঙ্গে আরও জনাদশেক মিলে রাত সাড়ে ৯টায় শুরু হলো শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ কাজ। অদক্ষ হাতে রাত ১২টায় নির্মাণ হলো দেশের প্রথম শহীদ মিনার। এর গায়ে লেখা হলো 'শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ'। পরদিন ২২ ফেব্রয়ারি সকালে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে ওই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অবশ্য কয়েক ঘণ্টা পরই তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের পুলিশ সেটি ভেঙ্গে দেয়।
 
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজশাহী কলেজের মুসলিম হোস্টেলের একটি কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভা থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে শহীদদের স্মরণে হোস্টেল প্রাঙ্গণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হবে। বৈঠকে রাজশাহী মেডিক্যাল স্কুলের এস.এম.এ গাফ্ফারকে সভাপতি এবং রাজশাহী কলেজের হাবিবুর রহমান ও গোলাম আরিফ টিপুকে যুগ্ম-সম্পাদক করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।পরিষদের সিদ্ধান্তে ওই রাতেই ছাত্ররা রাজশাহী কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গনে ইট, কাঁদামাটি ও বাঁশ দিয়ে ‘শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ তৈরী করে। রাজশাহী কলেজ হোস্টেলের জনাদশেকের সঙ্গে আরও জনাদশেক মিলে রাত সাড়ে ৯টায় শুরু হলো শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ কাজ। অদক্ষ হাতে রাত ১২টায় নির্মাণ হলো দেশের প্রথম শহীদ মিনার। এর গায়ে লেখা হলো 'শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ'। পরদিন ২২ ফেব্রয়ারি সকালে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে ওই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অবশ্য কয়েক ঘণ্টা পরই তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের পুলিশ সেটি ভেঙ্গে দেয়।
  
পুনঃনির্মান
+
==পুনঃনির্মান==
 
রাজশাহী কলেজ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মুসলিম হোস্টেলের গেটের কাছে ২০০৯ সালে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির সেই স্থানটিতে একটি ফলক নির্মাণ করা হয়। ফলকটি উন্মোচন করেন তৎকালীন মেয়র এবং জাতীয় নেতা এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান হেনার ছেলে এ. এইচ. এম. খায়রুজ্জামান লিটন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এর উদ্যগে এই স্থানটিতে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ২০১৫ সালে।
 
রাজশাহী কলেজ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মুসলিম হোস্টেলের গেটের কাছে ২০০৯ সালে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির সেই স্থানটিতে একটি ফলক নির্মাণ করা হয়। ফলকটি উন্মোচন করেন তৎকালীন মেয়র এবং জাতীয় নেতা এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান হেনার ছেলে এ. এইচ. এম. খায়রুজ্জামান লিটন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এর উদ্যগে এই স্থানটিতে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ২০১৫ সালে।
  
চিত্রশালা
+
==চিত্রশালা==
 
+
<gallery>
প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ এর ফলক
+
Rajshahi College - First Shaheed Minar for Language Movement Martyrs mid.jpg|প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ এর ফলক
+
Rajshahi College - First Shaheed Minar for Language Movement Martyrs details.jpg|প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ এর ফলক
 
+
Rajshahi College - First Shaheed Minar for Language Movement Martyrs side.jpg|প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ এর ফলক
প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ এর ফলক
+
Rajshahi College - First Shaheed Minar for Language Movement Martyrs full.jpg|প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ এর ফলক
+
</gallery>
 
 
প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ এর ফলক
 
 
 
 
প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ এর ফলক
 
আরও দেখুন
 
মোদের গরব
 
রাজশাহী কলেজ
 
অমর একুশে (ভাস্কর্য)
 
ভুবন মোহন পার্ক শহীদ মিনার
 
তথ্যসূত্র
 
ঝাঁপ দাও ↑ হাবিব, সৌরভ (১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬)। "রাজশাহীতেই হয়েছিল প্রথম শহীদ মিনার"। দৈনিক সমকাল (১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা ঢাকা - ১২০৮)। সংগৃহীত ২০১৬-০৪-২৪।
 
ঝাঁপ দাও ↑ "রাজশাহীতে নির্মিত দেশের প্রথম শহীদ মিনারের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি"। মানবজমিন (জেনিথ টাওয়ার, ৪০ কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫: মিডিয়া প্রিন্টার্স)। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ২০১৬-০৪-২৪।
 
ঝাঁপ দাও ↑ "রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি রাজশাহীতে নির্মিত দেশের প্রথম শহীদ মিনারের"। ভোরের কাগজ (মালিবাগ, ঢাকা: মিডিয়াসিন লি:)। রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। সংগৃহীত ২০১৬-০৪-২৪।
 
ঝাঁপ দাও ↑ ইসলাম, উদিসা (ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৬)। "প্রথম শহীদ মিনার ঢাকায় নাকি রাজশাহীতে!"। বাংলা ট্রিবিউন (এফ আর টাওয়ার, ৮/সি পান্থপথ, শুক্রাবাদ, ঢাকা-১২০৭)। সংগৃহীত ২০১৬-০৪-২৪।
 
ঝাঁপ দাও ↑ "অবশেষে রাজশাহীতে নির্মিত হচ্ছে স্থায়ী শহীদ মিনার"। মানবকণ্ঠ (রোড -১৩৮, প্লট - ১/এ, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২: মানবকণ্ঠ)। Sunday, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫। সংগৃহীত ২০১৬-০৪-২৪।
 
 
 
 
 
 
 
বাংলা ভাষা আন্দোলন
 
ইতিহাস এবং ঘটনাসমূহ
 
(বাংলা ভাষা আন্দোলনের কালপঞ্জি)
 
বাঙালি জাতীয়তাবাদ বাংলা ভাষা আন্দোলন ভারত বিভাগ ১৯৪৭ এ বাংলা বিভাগ পূর্ব পাকিস্তান বঙ্গ পাকিস্তানের গণপরিষদ তমদ্দুন মজলিস সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্মী পরিষদ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা উর্দু আন্দোলন পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা না উর্দু?
 
ব্যক্তিত্ব
 
আবুল বরকত আবদুল জব্বার শফিউর রহমান আবদুস সালাম রফিকউদ্দিন আহমদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত খাজা নাজিমুদ্দিন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ হামিদুর রহমান আবুল কাসেম সামসুল হক নূরুল হক ভূঁইয়া লিয়াকত আলি খান মোহাম্মদ তোয়াহা আব্দুল মতিন আব্দুল মালেক উকিল এ কে ফজলুল হক মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কবি এম.এন.এন শহিদুল্লাহ সাহিত্যরত্ন অলি আহাদ আবুল হাশিম শওকত আলী আবুল কালাম শামসুদ্দীন কাজী গোলাম মাহবুব গাজীউল হক মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মাহবুব উল আলম চৌধুরী জহির রায়হান মোহাম্মদ সুলতান আব্দুল লতিফ আলতাফ মাহমুদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ নুরুল আমিন আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ শেখ মুজিবুর রহমান মুনির চৌধুরী সুফিয়া কামাল
 
স্মৃতিরক্ষা
 
একুশে বই মেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ একুশে পদক ভাষা আন্দোলন দিবস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মোদের গরব বাংলা ভাষা আন্দোলনের শিল্পসম্মত চিত্রায়ন আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো সালাম সালাম হাজার সালাম
 

১৯:৩৫, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে সম্পাদিত বর্তমান সংস্করণ

প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ

প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ বা প্রথম শহীদ মিনার ঢাকায় মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদদের স্মৃতি রক্ষার জন্য নির্মিত প্রথম স্মৃতি স্তম্ভ।১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজশাহী কলেজ মুসলিম হোস্টেলের এফ ব্লকের সামনে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভটি ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশ প্রশাসন দ্বারা ভেঙে ফেলা হয়।

ইতিহাস

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় রাজশাহী কলেজের মুসলিম হোস্টেলের একটি কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভা থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে শহীদদের স্মরণে হোস্টেল প্রাঙ্গণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হবে। বৈঠকে রাজশাহী মেডিক্যাল স্কুলের এস.এম.এ গাফ্ফারকে সভাপতি এবং রাজশাহী কলেজের হাবিবুর রহমান ও গোলাম আরিফ টিপুকে যুগ্ম-সম্পাদক করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।পরিষদের সিদ্ধান্তে ওই রাতেই ছাত্ররা রাজশাহী কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গনে ইট, কাঁদামাটি ও বাঁশ দিয়ে ‘শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ তৈরী করে। রাজশাহী কলেজ হোস্টেলের জনাদশেকের সঙ্গে আরও জনাদশেক মিলে রাত সাড়ে ৯টায় শুরু হলো শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ কাজ। অদক্ষ হাতে রাত ১২টায় নির্মাণ হলো দেশের প্রথম শহীদ মিনার। এর গায়ে লেখা হলো 'শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ'। পরদিন ২২ ফেব্রয়ারি সকালে ফুলের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে ওই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অবশ্য কয়েক ঘণ্টা পরই তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের পুলিশ সেটি ভেঙ্গে দেয়।

পুনঃনির্মান

রাজশাহী কলেজ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মুসলিম হোস্টেলের গেটের কাছে ২০০৯ সালে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির সেই স্থানটিতে একটি ফলক নির্মাণ করা হয়। ফলকটি উন্মোচন করেন তৎকালীন মেয়র এবং জাতীয় নেতা এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান হেনার ছেলে এ. এইচ. এম. খায়রুজ্জামান লিটন। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এর উদ্যগে এই স্থানটিতে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ২০১৫ সালে।

চিত্রশালা